Minur Joy

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ , ০৪:২৫ এএম

অনলাইন সংস্করণ

রাবিতে কী হচ্ছে? শিক্ষকদের দাবিতে থমকে আছে ক্যাম্পাস

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি এখনো থমকে আছে। এক দিকে, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের আন্দোলন ৭ দিনের জন্য স্থগিত করেছেন। অন্যদিকে, শিক্ষকরা জানিয়েছেন, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকবে।

আজ দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা প্রশাসনের অনুরোধে আপাতত শাটডাউন কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন। অফিসার্স সমিতির সভাপতি মোক্তার হোসেন বলেছেন, তারা পোষ্য কোটা ফিরিয়ে আনা এবং শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের জন্য প্রশাসনকে ৭ দিনের সময় দিয়েছেন। যদি এই সময়ের মধ্যে কোনো সমাধান না হয়, তাহলে তারা আবার বড় আন্দোলনে যাবেন। তবে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে একেবারেই ভিন্ন কথা শোনা গেছে। জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল আলিম স্পষ্ট করে বলেছেন, "সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা এক পা-ও নড়ব না।" তিনি আরও বলেন, তারা সাধারণ শিক্ষকদের প্রতিনিধিত্ব করছেন এবং সবাই এই ঘটনার উপযুক্ত বিচার চান। ঘটনার শুরু হয়েছিল গত বৃহস্পতিবার। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ১০টি শর্তে পোষ্য কোটা পুনর্বহাল করার পর শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করে। এরপর শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সাথে তাদের হাতাহাতি হয়। এর প্রতিবাদে শিক্ষক ও কর্মকর্তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্যাম্পাস অচল করে দেন।

যদিও প্রশাসন ইতিমধ্যেই পোষ্য কোটা পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে এবং দুটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে, তবুও শিক্ষকরা এখনো পুরোপুরি আশ্বস্ত হতে পারছেন না। ফলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন কবে ফিরবে, তা নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।